Header Ads

ফরেক্স ট্রেডিং: সহজ ভাষায় শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত

ফরেক্স ট্রেডিং কি?

ফরেক্স (Forex) বা ফরেইন এক্সচেঞ্জ ট্রেডিং হলো বিভিন্ন দেশের মুদ্রার কেনা-বেচা। যাকে আন্তর্জাতিক মুদ্রা বাজার বলা হয়। খুব সহজভাবে বলতে গেলে, যখন আপনি একটি দেশের মুদ্রা বিক্রি করে অন্য একটি দেশের মুদ্রা কেনেন, তখন এটাই হলো ফরেক্স ট্রেডিং। 

ফরেক্স লট (Lot) কী?

ফরেক্স লট হলো একটি নির্দিষ্ট পরিমাপের একক, যা দিয়ে একজন ট্রেডার কতগুলো কারেন্সি ইউনিট কেনা-বেচা করছেন তা বোঝানো হয়। যেহেতু কারেন্সির দামের পরিবর্তন খুব সামান্য হয় (মাত্র কয়েক পিপ), তাই বড় আকারে লেনদেন করার জন্য এই লট সিস্টেম ব্যবহার করা হয়।

সাধারণত, ফরেক্সের তিনটি প্রধান লট সাইজ আছে:

১. স্ট্যান্ডার্ড লট (Standard Lot): এটি সবচেয়ে বড় লট সাইজ, যা সাধারণত ১,০০,০০০ (এক লক্ষ) কারেন্সি ইউনিট এর সমান। অর্থাৎ, আপনি যখন ১.০ লট ভলিউম দিয়ে কোনো ট্রেড খুলবেন, তখন আপনি ১ লক্ষ কারেন্সি ইউনিট কেনা-বেচা করছেন।

২. মিনি লট (Mini Lot): এটি স্ট্যান্ডার্ড লটের দশ ভাগের এক ভাগ, যা ১০,০০০ (দশ হাজার) কারেন্সি ইউনিট এর সমান। এটি নতুন এবং মাঝারি আকারের ট্রেডারদের জন্য উপযোগী। ০.১ ভলিউম দিয়ে একটি মিনি লট ট্রেড করা হয়।

৩. মাইক্রো লট (Micro Lot): এটি সবচেয়ে ছোট এবং নতুন ট্রেডারদের জন্য জনপ্রিয় লট সাইজ। এটি ১,০০০ (এক হাজার) কারেন্সি ইউনিট এর সমান। ০.০১ ভলিউম দিয়ে একটি মাইক্রো লট ট্রেড করা হয়।

ফরেক্স ভলিউম (Volume) কী?

ফরেক্স ভলিউম বলতে একটি নির্দিষ্ট সময়ে কত পরিমাণ লেনদেন হচ্ছে, তা বোঝানো হয়। তবে স্টক মার্কেটের মতো ফরেক্সে কোনো কেন্দ্রীয় এক্সচেঞ্জ নেই, তাই "ট্রু ভলিউম" বা মোট লেনদেনের সঠিক তথ্য পাওয়া যায় না।

বেশিরভাগ ফরেক্স ব্রোকার যে ভলিউম দেখায়, তা আসলে টিক ভলিউম (Tick Volume)। টিক ভলিউম হলো একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দাম কতবার পরিবর্তিত হয়েছে তার সংখ্যা। এর থেকে বোঝা যায় যে ওই সময়ে বাজারে কতটুকু সক্রিয়তা (Activity) ছিল।

লট এবং ভলিউমের মধ্যে সম্পর্ক:

লট হলো একটি নির্দিষ্ট ট্রেডের আকার। যখন আপনি আপনার ট্রেডিং প্ল্যাটফর্মে একটি ট্রেড ওপেন করেন, তখন আপনি লট সাইজ (যেমন: ০.০১, ০.১, ১.০) নির্বাচন করে আপনার ট্রেডের ভলিউম বা পরিমাণ নির্ধারণ করেন। সুতরাং, লট হলো আপনার ট্রেডের ভলিউম পরিমাপের একক।

লিভারেজ কি?

ফরেক্স ট্রেডিংয়ে লিভারেজ (Leverage) হলো একটি বিশেষ সুবিধা, যা একজন ট্রেডারকে তার অ্যাকাউন্টে থাকা মূলধনের চেয়ে অনেক বড় অঙ্কের ট্রেড করার সুযোগ দেয়। এটি এক প্রকার ধার বা ঋণ, যা একজন ব্রোকার তার গ্রাহককে দেয়।

লিভারেজ কীভাবে কাজ করে?

লিভারেজকে সাধারণত একটি অনুপাত (ratio) দিয়ে প্রকাশ করা হয়, যেমন: 1:50, 1:100, 1:500 ইত্যাদি।

1:100 লিভারেজ মানে কী?

এর মানে হলো, আপনার অ্যাকাউন্টে যদি $1 ডলার থাকে, তাহলে আপনি $100 ডলার মূল্যের ট্রেড করতে পারবেন। ব্রোকার আপনাকে অতিরিক্ত $99 ধার দেবে, যাতে আপনি বড় অঙ্কের ট্রেড করতে পারেন।

উদাহরণ:

ধরুন, আপনার অ্যাকাউন্টে আছে $1000 এবং আপনি 1:200 লিভারেজ ব্যবহার করছেন। এর মানে হলো, আপনি আপনার $1000 কে ২০০ গুণ বাড়িয়ে $200,000 মূল্যের ট্রেড করতে পারবেন।

আপনার মূলধন: $1000, লিভারেজ: 1:200, ট্রেড করার ক্ষমতা: 1000×200=200,000

কারেন্সী কি?

ফরেক্স (Forex) ট্রেডিংয়ে "কারেন্সি" (Currency) বলতে বিভিন্ন দেশের প্রচলিত মুদ্রাকে বোঝানো হয়, যেমন: মার্কিন ডলার (USD), ইউরো (EUR), জাপানিজ ইয়েন (JPY), ব্রিটিশ পাউন্ড (GBP) ইত্যাদি।

কারেন্সী পেয়ার কি?

ফরেক্স ট্রেডিংয়ে কারেন্সি পেয়ার (Currency Pair) হলো দুটি ভিন্ন দেশের মুদ্রার একটি জোড়া, যা দিয়ে তাদের আপেক্ষিক মূল্য (Relative Value) বোঝানো হয়। ফরেক্সে সবসময় একটি মুদ্রাকে অন্যটির সাপেক্ষে কেনা বা বিক্রি করা হয়, তাই এখানে লেনদেন সবসময় জোড়ায় জোড়ায় হয়।

উদাহরণস্বরূপ:

EUR/USD: ইউরো এবং মার্কিন ডলারের একটি জোড়া।

GBP/JPY: ব্রিটিশ পাউন্ড এবং জাপানিজ ইয়েনের একটি জোড়া।

মেজর পেয়ার (Major Pairs) কী?

মেজর পেয়ারগুলো হলো ফরেক্সের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং বহুল-লেনদেন হওয়া কারেন্সি পেয়ার। এদের মূল বৈশিষ্ট্য হলো যে, এই পেয়ারগুলোতে সবসময় মার্কিন ডলার ($) থাকে এবং এদের লিকুইডিটি (liquidity) বা তারল্য সবচেয়ে বেশি।

প্রধান মেজর পেয়ারের তালিকা:

বিশ্বে প্রধানত সাতটি মেজর পেয়ার আছে, যেগুলো মার্কিন ডলারের সাথে গঠিত:

1.      EUR/USD (ইউরো বনাম মার্কিন ডলার): এটি বিশ্বের সবচেয়ে বেশি লেনদেন হওয়া পেয়ার, যা প্রায় সব ফরেক্স ব্রোকারেই পাওয়া যায়।

2.      USD/JPY (মার্কিন ডলার বনাম জাপানিজ ইয়েন): এটি দ্বিতীয় সর্বাধিক লেনদেন হওয়া পেয়ার।

3.      GBP/USD (ব্রিটিশ পাউন্ড বনাম মার্কিন ডলার): এটি "কেবল" (Cable) নামেও পরিচিত।

4.      USD/CHF (মার্কিন ডলার বনাম সুইস ফ্রাঙ্ক): এটি সুইস ফ্রাঙ্কের সাথে যুক্ত।

5.      AUD/USD (অস্ট্রেলিয়ান ডলার বনাম মার্কিন ডলার): অস্ট্রেলিয়ার অর্থনীতির সাথে সম্পর্কিত।

6.      USD/CAD (মার্কিন ডলার বনাম কানাডিয়ান ডলার): এটি "লুনি" (Loonie) নামেও পরিচিত।

7.      NZD/USD (নিউজিল্যান্ড ডলার বনাম মার্কিন ডলার): নিউজিল্যান্ডের অর্থনীতির সাথে সম্পর্কিত।


পিপস (Pips) কী?

"পিপ" (PIP) এর পূর্ণরূপ হলো "পার্সেন্টেজ ইন পয়েন্ট" (Percentage In Point) বা "প্রাইস ইন্টারেস্ট পয়েন্ট" (Price Interest Point)। এটি হলো একটি কারেন্সি পেয়ারের দামের ক্ষুদ্রতম পরিবর্তন।

বেশিরভাগ কারেন্সি পেয়ারের জন্য পিপ হলো চতুর্থ দশমিক স্থান (fourth decimal place)-এর পরিবর্তন।

উদাহরণ:

যদি EUR/USD পেয়ারের দাম 1.1234 থেকে বেড়ে 1.1235 হয়, তাহলে এটি 1 পিপ বৃদ্ধি পেয়েছে। অর্থাৎ, 0.0001 পরিমাণ পরিবর্তন হয়েছে।

পিপেটস (Pipettes) কী?

পিপেটকে "ফ্র্যাকশনাল পিপ" (Fractional Pip) বা "দশমিক পিপ" বলা হয়। এটি পিপের চেয়েও ছোট একক।

পিপেট হলো পিপের এক-দশমাংশ (1/10th of a pip). বেশিরভাগ কারেন্সি পেয়ারে পিপেট হলো পঞ্চম দশমিক স্থান (fifth decimal place).

উদাহরণ: যদি EUR/USD পেয়ারের দাম 1.12345 থেকে বেড়ে 1.12346 হয়, তাহলে এটি 1 পিপেট বৃদ্ধি পেয়েছে। অর্থাৎ, 0.00001 পরিমাণ পরিবর্তন হয়েছে

ফরেক্স ট্রেডিংয়ে পিপস (Pips) এবং পিপেটস (Pipettes) হলো দুটি পরিমাপের একক, যা দিয়ে একটি কারেন্সি পেয়ারের দামের পরিবর্তন বোঝানো হয়। এগুলো হলো ফরেক্সের মূল ভিত্তি, যা ছাড়া লাভ বা লোকসান গণনা করা অসম্ভব।

 

স্প্রেড কি?

ফরেক্স ট্রেডিংয়ে স্প্রেড (Spread) হলো একটি কারেন্সি পেয়ারের ক্রয় মূল্য (Buy Price) এবং বিক্রয় মূল্য (Sell Price) এর মধ্যেকার পার্থক্য। এটি মূলত আপনার ব্রোকারকে ট্রেড করার জন্য যে ফি বা খরচ দিতে হয়, তার একটি রূপ। খুব সহজভাবে বললে, স্প্রেড হলো ব্রোকারের আয়ের প্রধান উৎস। আপনি যখন কোনো ট্রেড শুরু করেন, তখন ব্রোকার এই স্প্রেড পরিমাণ টাকা আগেই কেটে নেয়।

Swap কি?

ফরেক্স ট্রেডিংয়ে সোয়াপ (Swap) হলো একটি সুদের হার, যা আপনি যখন কোনো ট্রেড রাতারাতি (overnight) ধরে রাখেন, তখন ব্রোকার আপনাকে দেয় অথবা আপনার কাছ থেকে নেয়। একে "রোলওভার ফি" (Rollover fee) বা "সোয়াপ ফি" (Swap fee) বলা হয়। সোয়াপ হলো দুটি মুদ্রার সুদের হারের পার্থক্যের ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত একটি ফি বা পেমেন্ট।

১.পজিটিভ সোয়াপ (+): যদি আপনি এমন একটি পেয়ারে ট্রেড করেন, যেখানে কেনা মুদ্রার সুদের হার, বিক্রি করা মুদ্রার সুদের হারের চেয়ে বেশি হয়, তাহলে ব্রোকার আপনাকে সোয়াপ ফি দেবে। অর্থাৎ, আপনি ট্রেডটি ধরে রাখার জন্য টাকা পাবেন।

২.নেগেটিভ সোয়াপ (-): যদি আপনি এমন একটি পেয়ারে ট্রেড করেন, যেখানে কেনা মুদ্রার সুদের হার, বিক্রি করা মুদ্রার সুদের হারের চেয়ে কম হয়, তাহলে ব্রোকার আপনার কাছ থেকে সোয়াপ ফি কেটে নেবে। অর্থাৎ, ট্রেডটি ধরে রাখার জন্য আপনাকে টাকা দিতে হবে।

মার্জিন (Margin) কী?

মার্জিন হলো সেই পরিমাণ অর্থ, যা একজন ট্রেডারকে একটি নতুন ট্রেড খোলার জন্য বা একটি বিদ্যমান ট্রেডকে চালু রাখার জন্য জামানত হিসেবে রাখতে হয়। এটি কোনো ফি বা খরচ নয়, বরং এক প্রকারের জামানত, যা ব্রোকার আপনার অ্যাকাউন্টের তহবিল থেকে লক করে রাখে। মার্জিন = ব্যবহৃত তহবিল (Used Funds): এটি হলো সেই পরিমাণ টাকা যা আপনার চলমান ট্রেডগুলো দখল করে আছে। কেন এটি প্রয়োজন? লিভারেজ ব্যবহার করে যখন আপনি বড় আকারের ট্রেড খোলেন, তখন ব্রোকার আপনার অ্যাকাউন্টকে সুরক্ষিত রাখতে এই মার্জিন ব্লক করে রাখে। এটি নিশ্চিত করে যে আপনার ট্রেড যদি লোকসানের দিকে যায়, তাহলে ব্রোকারের কোনো ক্ষতি হবে না। উদাহরণ:ধরুন, আপনার অ্যাকাউন্টে $1000 আছে এবং আপনি $1:100 লিভারেজ ব্যবহার করছেন। আপনি $10,000 মূল্যের একটি ট্রেড খুলতে চান। এই ট্রেডের জন্য প্রয়োজনীয় মার্জিন হবে: $10,000 / 100 = $100। সুতরাং, আপনার অ্যাকাউন্টের $100 মার্জিন হিসেবে ব্যবহৃত হবে।

ইকুয়িটি (Equity) কী?

ইকুয়িটি হলো আপনার ট্রেডিং অ্যাকাউন্টের মোট মূল্য। এটি আপনার অ্যাকাউন্টের ব্যালেন্স এবং চলমান ট্রেডগুলোর লাভ-লোকসান (যা এখনও বন্ধ করা হয়নি) মিলিয়ে মোট মূল্য। এটিই আপনার অ্যাকাউন্টের আসল অবস্থা দেখায়।

ইকুয়িটি = ব্যালেন্স + চলমান লাভ/লোকসান (Profit/Loss) ব্যালেন্স (Balance): এটি হলো আপনার অ্যাকাউন্টের মোট টাকা, যেখানে চলমান কোনো ট্রেডের লাভ-লোকসান যোগ করা হয় না। ট্রেড বন্ধ করার পরেই লাভ-লোকসান ব্যালেন্সে যোগ হয়।

উদাহরণ: আপনার অ্যাকাউন্টে $1000 ব্যালেন্স আছে। আপনি একটি ট্রেড খুললেন যার কারণে $100 মার্জিন ব্যবহৃত হলো। যদি ট্রেডটি $50 লাভে থাকে: আপনার ইকুয়িটি হবে $1000 (ব্যালেন্স) + $50 (লাভ) = $1050। যদি ট্রেডটি $50 লোকসানে থাকে: আপনার ইকুয়িটি হবে $1000 (ব্যালেন্স) - $50 (লোকসান) = $950।

ফরেক্সে কারা ট্রেড করে?

ফরেক্স মার্কেটে বিভিন্ন ধরনের মানুষ ও প্রতিষ্ঠান ট্রেড করে থাকে। এদেরকে প্রধানত কয়েকটি ভাগে ভাগ করা যায়:

১. বড় আর্থিক প্রতিষ্ঠান (Large Financial Institutions)

  • সেন্ট্রাল ব্যাংক (Central Banks): প্রতিটি দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক তাদের নিজ নিজ দেশের মুদ্রার মান নিয়ন্ত্রণ করতে এবং বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভ (reserve) ব্যবস্থাপনার জন্য ফরেক্সে ট্রেড করে।
  • বাণিজ্যিক ব্যাংক (Commercial Banks): বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফরেক্স ট্রেডার হলো বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো। তারা নিজেদের ক্লায়েন্টদের হয়ে লেনদেন করে, নিজেদের জন্য লাভ করে এবং আন্তর্জাতিক লেনদেনের খরচ কমানোর জন্য ট্রেড করে।

২. আন্তর্জাতিক কর্পোরেশন (International Corporations)

  • বিভিন্ন বহুজাতিক কোম্পানি (multinational companies) তাদের আন্তর্জাতিক লেনদেন ও ব্যবসার খরচ কমানোর জন্য ফরেক্সে ট্রেড করে। যেমন, একটি আমেরিকান কোম্পানি যদি জাপানে পণ্য বিক্রি করে, তাহলে তাদের জাপানি ইয়েনকে ডলারে রূপান্তর করতে হয়।

৩. হেজ ফান্ড এবং বিনিয়োগ ব্যবস্থাপক (Hedge Funds and Investment Managers)

  • এই প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের ক্লায়েন্টদের অর্থ পরিচালনা করে এবং ফরেক্স মার্কেটে বিনিয়োগ করে মুনাফা অর্জনের চেষ্টা করে। তারা বড় আকারের লেনদেন করে থাকে, যা মার্কেটের গতিবিধিকে প্রভাবিত করতে পারে।

৪. খুচরা বা স্বতন্ত্র ট্রেডার (Retail or Individual Traders)

  • সাধারণ মানুষ বা ব্যক্তি যারা অল্প পরিমাণ অর্থ দিয়ে ফরেক্স ব্রোকারের মাধ্যমে ট্রেড করে। এদেরকেই আমরা সাধারণত 'ফরেক্স ট্রেডার' হিসেবে চিনি। বর্তমানে ইন্টারনেটের সহজলভ্যতার কারণে এই ধরনের ট্রেডারদের সংখ্যা অনেক বেড়েছে।

এই সব ধরনের ট্রেডারদের সম্মিলিত কার্যকলাপের মাধ্যমেই ফরেক্স মার্কেট বিশ্বের সবচেয়ে বড় ও তরল আর্থিক বাজারে পরিণত হয়েছে।

 নোট: আপনি যদি একাধিক স্বনামধন্য আর্থিক সংস্থা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত ট্রাষ্টেড ব্রোকারের সাথে ফরেক্স ট্রেডিং শুরু করতে চান, তাহলে এখানে ক্লিক করে একাউন্ট তৈরি করুন।

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.